Porasuna | Blog community for Educational Content

JobsNews24

The Most Popular Job Site in Bangladesh

বিসিএস এবং অন্যান্য সরকারী চাকুরির ভাইভা প্রস্তুতি

Category: Career Guide Posting Date: 2016-11-12


বেশ কয়েকজন ছোট ভাইবোন ভাগিনা-ভাতিজি ফোন ইনবক্সে জানতে চেয়েছেন ভাইভা পরীক্ষায় কেমনে কি?
ভাগিনা ভাতিজিদের আগেই বলে দেই, ফ্রম মাই এক্সপিরিয়েন্স বিদ্যা বুদ্ধির চেয়ে ইটস মোর ডিপেন্ডেন্ট অন লাক। কথা শুনে শুরুতেই মন খারাপ করলে বাকিটুকু না পড়ার জন্য ম্যালা ধন্যবাদ। এটা মাথায় রেখেই পড়া শুরু করেন বাকিটুকু মামুর দোয়া। মোটামুটি সব বিষয়ে কিছু কথা বলার চেষ্টা থাকবে, বাকি স্পেসিফিক কিছু জানার থাকলে মামুকে কমেন্টসে আস্ক করলেই বলে দেব।
প্রথমেই বন্দনা করি ড্রেস মেকাপের নামঃ এটা বেশ ইম্পোরটেন্ট। ভাগিনারা ভাইভা পরীক্ষার পাঁচ-সাত দিন আগেই মাথার চুল কাটা চাই। কাটতে মন না চাইলে আমার কাছে আসবেন আমি কাঁচি দিয়ে কেটে দেব ঘ্যাচ ঘ্যাচ করে। এক্সামের দিনে সক্কাল বেলায় শেইভ মাস্ট। এটা অবশ্য আমি করিয়ে দেব না। ভাইভার সময় শীত শীত ভাব থাকলে ভাল দেখে কাটানো স্যূটেড বূটেড হয়ে যাবেন। টাই গলায় ফাসানো চাই। রংচঙ্গা না হওয়া বাঞ্চনীয়। গরম থাকলে শার্টের সাথে টাই হলেই চলবে। জুতা বেল্ট ঘড়ি জুতসই চকচকে হলেই চলবে।
ভাগ্নী-ভাতিজিরা শাড়ি বা অন্য কোন রুচিশীল পোশাক পড়লেই চলবে। মেকাপ, গয়না-গাট্টি কম হলেই ভাল। এত কিছু বলার উদ্দেশ্য ইউ মাস্ট ফিল ইজি, কম্ফোর্টেবল এন্ড কনফিডেন্ট অ্যাট দ্যাট ডে। এই পরীক্ষার নির্দিষ্ট দিনে যত কম সিরিয়াস হওয়া যায় ততই ভাল। উসাইন বোল্টকে দেখেছেন না, দৌড় শুরু হওয়ার আগে, কানের মধ্যে হেডফোন দিয়ে হিপহফ মিউজিক শোনে। রিল্যাক্স।

প্রিপারেশনঃ

একটা খাটি সত্য কথা বলি। প্রিলি রিটেন এ প্রশ্ন কমন পড়ুক আর না পড়ুক ভাইভাতে কিন্তু পড়ে। আপ্নের খালি চোখ কান নাক মুখ খোলা রাখতে হবে। কমন না পড়লেও কোন সমস্যা নেই।

সাধারণ জ্ঞানঃ

স্বাধীনতার ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ, বংগবন্ধু, ৬ দফা, সাতই মার্চের ভাষণ, স্বাধীনতার ঘোষণা, ৭০ এর পর থেকে ৭৫ পর্যন্ত সকল সরকারের মন্ত্রীসভার সদস্যদের নাম ঝাড়া মুখস্ত। দাড়ি কমা সহ। রেগুলার পেপারতো পড়তেই থাকবেন। বেশী ইম্পোর্টেন্ট ইন্সিডেন্টগুলো পারলে নোটবুকে লিখে রাখবেন। পরীক্ষার দিনের বাংলা আরবির দিন তারিখ মনে রাখবেন। সেদিনের পত্রিকার হেডলাইনগুলো দেখে নেবেন। বাংলাদেশের সাথে বেশী রিলেটেড দেশ, আন্তর্জাতিক সংগঠঙ্গুলোর নাড়ি-ভূড়ি উল্টিয়ে পালটিয়ে দেখে রাখবেন। এক্ষেত্রে আপনার প্রথম পছন্দ আপনার ভাইভার গতিপথ নির্ধারণ করে দিতে পারে। এ বিষয়ের খুটিনাটি, অর্গানোগ্রাম,কাজ-কাম, সুবিধা,ঝুটঝামেলা জানার চেষ্টা শেষদিন পর্যন্ত করবেন। তবে চেষ্টা থাকবে যাতে আপনার গতিপথ যাতে আপনি নিজেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। এমন উত্তর দিবেন যাতে প্রশ্নকর্তা আপনার জ্ঞানের অধিক্ষেত্রের মধ্যেই চলে আসে। রিটেন প্রিলিতে পড়া বিষয়গুলো আবার একটু দেখে নিতে পারেন। ম্যাপ-মানচিত্র নিয়ে একটু মাথা খাটাবেন।

নো দাইসেলফ?:

আপনার প্রথম পছন্দ কেন আপনার প্রথম পছন্দ? অমুক বিষয় পড়ে, ঝমুক চাকুরি ছেড়ে, তমুক চাকুরী ক্যান করতে চান? মনে হয় ঘুষ খাইতে চান? আপনার জেলার, উপজেলার বিশ্ববিদ্যালয়ের, হলের ইতিহাস, ইতিহাস বিখ্যাত কুখ্যাত ভালমানুষ মন্দমানুষ নিয়ে একটা ধারণা রাখেন। কাজে লাগবে। আপনি যে বিষয়ে আন্ডারগ্র্যাড, গ্র্যাড করেছেন সে বিষয়ের বেসিক টপিকগুলো আবার একটু দেখে নিন না। আপনার নামের অর্থ কি, এই নামে বিখ্যাত কে ছিলেন কে আছেন, কে কে আসবেন ইত্যাদি ইত্যাদি। সর্বশেষ কোন বইটি পড়েছেন, ঘটনা কি? তবে বইমার্কা উত্তর না দিয়ে নিজের মত করে ডিফারেন্ট ভদ্রগোছের একটা উত্তর এসব প্রশ্নে বেশি গ্রহণযোগ্য।

ইংরেজিঃ

আমার মাইক্রোবায়লজি বিভাগের প্রিয় ছোটভাই অহন একদিন বলেছে, বাংলাদেশ হইল মজার এক জায়গা। এইখানে আর কিছু না জেনে শুধুমাত্র ইংরেজী ভাল জানলেই ভাল ক্যারিয়ার নিশ্চিত। কথাটা বেশ খাসা। দুবার শ্রীলঙ্কায় গিয়েছিলাম, দেখি মুদি দোকানদার, সবজিওয়ালা যেই পটাস পটাস ইংরেজী বলে তা শুনলে আমাদের অনেক ডাকসাইটে বড়কর্তারাও লজ্জাই পাবেন। তাই বলছি, বাংলাদেশে ভাল ক্যারিয়ারের জন্য স্ট্যন্ডার্ড ইংরেজী জানা মাস্ট না হলেও এটা আপনাকে সবজায়গায় আনফেয়ার এমাউন্ট অফ এডভান্টেজ এনে দেবে । ভাল ইংরেজি লিখতে ও বলতে পারলে ইউ আর অল্রেডি ফিফটি পার্সেন্ট এহেড। এই ধরেণ বিসিএস ভাইভায় সুযোগ বুঝে ঠাস ঠাস করে কিছু ইংরেজী ঝেড়ে দিলেই ভাইভাওয়ালারা মনে করবেন, এই পোলা ব্যাপক ইস্মার্ট, জ্ঞান বিজ্ঞানের সকল শাখায় মনে হয় তার বিরাট দক্ষতা। এটা আমাদের কলোনিয়াল সেন্টিমেন্ট বা যে কারণেই হোক না কেন, আসল ব্যাপার হচ্ছে সিংহ ভাগ পরীক্ষার্থীরা এটা পারে না। যে পারে সে অযথায় আনফেয়ার এডভান্টেজ পায়!! (আগের লেখার কপি)
এক্ষেত্রে আমার আপনার উচিৎ মোটামুটি ইংরেজি বলতে পারা। মওকা পেলেই ঝেড়ে দেয়া। তয় যারা না পারেন তাদের অত হা-পিত্যেশ করার কিছু নেই। ভাব মারার জন্য বলছি না, যারা চাকুরিটা পেয়েছেন তাদের অনেকেই সেটা পারেন না। ভাইভার জন্য যে কয়দিন সময় আছে সেকয়দিনে চেষ্টা করলে প্রয়োজনীয় চলনসই ইংরেজি শেখা যাবে। ডেস্ক্রাইব ইয়োরসেলফ, ডেস্ক্রাইব ইয়োর ইডুকেশন ব্যাকগ্রাউন্ড, হোয়াই — ইজ ইয়র ফার্স্ট চয়েস? হোয়াট ইউ উইল ডূ ইন দ্যাট – সিচুয়েশন, টেল মি এবাউট ইয়োর ডিস্ট্রিক্ট ইত্যাদি বিষয়গুলো মোটামুটি ঝড়ঝড়ে হয়ে যাবেন। বাকিবিষয়গুলো যতদূর আগানো যায়।

কি বই পড়বেনঃ

পেপার পত্রিকা, কারেন্ট এফেয়ার্স টাইপের কোন কিছু, বাজারে ভাইভার জন্য প্রচলিত যা কোন জনপ্রিয় বই । ক্যাডার ফার্স্ট চয়েস ভিত্তিক বই। ভাইভা শুরু হলে দেখবেন নীলখেতে গত অমুক থেকে তমুক দিন পর্যন্ত ভাইভার প্রশ্নোত্তর সম্বলিত চটি টাইপের বই পাওয়া যায়। সেটা থেকে বেশ কমন পড়ে!! বংগবন্ধুর ভাল কোন জীবনীবই, স্বাধীনতার ডিটেইলস কোন বই ইত্যাদি ইতাদি ইত্যাদি।

কোচিং?

হ করলে করতে পারেন। তয় আমি করি নাই। এইটা নাকি কনফিডেন্স বাড়ায়। বাড়ালে করা যায়। কোনটা ভাল কোনটা মন্দ ইতরবিশেষ জানা নাই।

ভাইভার সময়ঃ

এতক্ষণ যা বললাম সব অবান্তর কথা। এবার কাজের কথায় আসি। ভাইভা জিনিসটা আসলেই ভাইবাই দিতে হয়। ওই সময়টা মাথা পরিষ্কার থাকা জরুরী। আগেরদিন ৭-৮ঘন্টা ঘুম। একঘন্টা আগেই জায়গামত পৌছানো। টেনশন জিনিসটা একদম মাথা থেকে দূরে। সব পারতে হবে এ কথা যে বলবে তাকে মাইর। অত পারাপারির দরকার নাই। মোটামুটি পারলেই হল।
কনফিডেন্স, এপ্রোচ এটিচ্যুড হল আসল ব্যাপার। কি কতটুকু পারলেন সেটা দিনশেষে নিতান্তই গৌণ। একেক বোর্ড একেক জিনিস চায়। কে কি চায় কে জানে? আপনার কাজ আপনি করবেন। না পারলে বলবেন সরি, স্যার জানা নেই/মনে নেই ।
 
অনুমতি নিলেন। ঢুকলেন। সালাম দিলেম। বসতে বললে বসলেন। প্রমিত ভাষায় কথা বলার চেষ্টা করবেন। ট্যারা চক্ষে তাকানোর দরকার নাই, ঘাড় নিচু করে ভদ্রতা দেখানোর দরকার নাই। ভাইবা বোর্ডের সাথে চার চক্ষুর মিলন ঘটাবেন । এক সাথে দু তিনজন প্রশ্ন করলে, যে প্রশ্ন আগে করবে তাকে আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে উত্তর দিবেন। যার প্রশ্নের উত্তর দিবেন তার চোখে তাকাবেন। যাদের অন্যের চোখের দিকে তাকাতে লজ্জা লাগে তারা গার্লফ্রেণ্ড/বয়ফ্রেণ্ডের/বউ/স্বামীদের দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে প্রাক্টিস করেন! এয় কয়দিনে তারাও খুশি হবে! বৈষম্য না করে বোর্ডে সবাইকে স্যার বলুন। উত্তরের শুরুতে একবার স্যার বলুন শেষে একবার বলুন। মুখ কালো করে রাখবেন না। হাসি হাসি ভাব না ধরে রাখতে পারলেও নরমাল থাকার চেষ্টা করবেন। অনেক বোর্ডে গা জ্বালানো বিরক্তিকর প্রশ্ন হতে পারে। মনে রাখবেন এটাও পরীক্ষার অংশ। বি ইজি। এক্সাম শেষে ভাগতে বললে সালাম দিয়ে লেজ গুটিয়ে চলে আসবেন। আসসালামুয়ালাইকুম।
 

নিজ অভিজ্ঞতাঃ (৩০ তম বিসিএস) পুরোটা মনে নেই, যা মনে আছে তাই লিখলাম।

মিঃ সালাম , মে আই কাম ইন স্যার?
বোঃ ওয়া’লাম। ইয়েস, কাম ই্ন সিট ডাউন। আর ইউ মিঃ তৌহিদ এলাহী? হোয়াট ডাজ ইট মিন?
মিঃ থ্যাঙ্ক উ স্যার, ইট মিন্স সোলনেস অফ গড।
বোঃ হোয়ার ডিড ইউ স্টাডি ? সাব্জেক্ট? হ্যাভ ইউ কমপ্লিটেড ইয়োর মাস্টার্স? রেজাল্ট? ( এপিয়ার্ড ছিলাম)
মিঃ স্যার, ইয়েস স্যার, আই হ্যাভ কমপ্লিটেড বোথ মাই হন্স এন্ড এমএস ফ্রম ডিপ্ট অফ মাইক্রোবায়ালজি, ইউনিভার্সিটি অফ ঢাকা। স্যার, আই হ্যাভ গট ফার্স্ট ক্লাস বোথ ইন হন্স এন্ড এম এস। রিসেন্টলি আই হ্যাভ এন্টার্ড ইন্টু মাই সেকেন্ড মাস্টার্স ইন আইবিএ, ডি ইউ।
বোর্ডঃ সাম অফ মাই নোন পিপল ফ্রম আইবিএ আর ওয়ারকিং ইন ভ্যারিয়াস এমএনসিস ইন ভেরি গুড পজিশন্স । হুহাই ডু ইউ ওয়ান্ট টু কাম ইন পাব্লিক সার্ভিস?
মিঃ ……।। (চাপাবাজির ইমো। চাপাবাজি খুব ভাল হইছে, আই ওয়াজ প্রিটি শিউর)
বোঃ হোয়াট ডু ইউ ডু নাউ?
মিঃ আই এম ওয়ারকিং এজ আ মাইক্রোবায়লজিস্ট ইন জীবন ড্রিঙ্কিং ওয়াটার অফ সিটি গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ। আই এম অলসো আ ফ্রিল্যান্স রাইটার এন্ড কন্ট্রিবিউটর ফর সাম অফ দ্যা ডেইলিজ লাইক কালের কন্ঠ, সমকাল এটসে।
বোঃ হোয়াট ইজ দ্যা প্রস্পেক্ট অফ ওয়াটার রিসোর্স অফ আউয়ার কান্ট্রি?
মিঃ …।।( হাবি জাবি একটা কিছু বলছি,)
বোঃ আই সি ইয়োর ফার্স্ট চয়েস ইজ ফরেন এফেয়ার্স, বাট ইফ উ গেট ইয়োর সেকেন্ড চয়েস , ঊড উ এপেয়ার এহগেইন ইন বিসিএস?
মিঃ নো স্যার। মাই ফার্স্ট থ্রি চয়েসেস ফরেন, এডমিন, পুলিশ আর সিম্পলি ওকে ফর মি। ইফ আই গেট ওয়ান অফ দোজ থ্রি, আই উইল বি ভেরি হ্যাপী।
বোঃ লাহোর প্রস্তাব কত সালে ? ছয়দফা কত সালে ? দফাগুলো কি কি?
উত্তরঃ … পেরেছি
বোঃ ২৫ শে মার্চ থেকে ৩০ শে মার্চ ঘটনাগুলো নিজের ভাষায় বল।
ঊঃ …( বলেছি। ২৭ তারিখ পর্যন্ত বলার পর শেষ। উনারা আসলে জানতে চেয়েছেন স্বাধীনতার ঘোষণা, কে কার কাছে, কিভাবে কখন দিয়েছেন)
বোঃ বঙ্গবন্ধুর শিক্ষাজীবন, কোথায় কখন পড়েছেন, থেকেছেন, হলের নাম ইত্যাদি বল?
ঊঃ (পেরেছি)
এরপর আমার দৈন্য দশা শুরু । পরপর পাচটা-সাতটা প্রশ্ন ধরেছে ফরেন এফেয়ার্স থেকে। ইংরেজীতে। সাধারণ জ্ঞান আমার আগেও ছিল না এখনো তেমন নেই। আমি নিজেও একটু ঘাবড়ে গিয়েছিলাম, তবে সেটা জোর করে চেপে গেছি। চেয়ারম্যান লিয়াকত আলি খান স্যার(বড়ভাল মানুষ) হতাশ হয়ে বললেন, মিঃ তৌহিদ , সিন্স উ ওয়ান্ট টু বি আ ডিপ্লোমেট উ শুড হ্যাভটু আন্সার অল দেস ইজি কোশ্চেন্স।
মিঃ স্যার আই শ্যাল লার্ন এভরিথিং ফ্রম মাই ট্রেনিং ইফ আই গেট আনি অপরচুনিটি।
বোঃ রিয়েলি। অকে । লেটস গেস ইউ আর আ ডিপ্লোমেট, আন্ড উই আর থ্রি ডেলীগেটস ফ্রম ফরেন, হোয়াট শ্যাল ইউ টেল ইফ ইউ ওয়ান্ট টু এক্সপোর্ট ইউর ম্যানপাওয়ার?
মিঃ ( মনের মাধুরী মিশিয়ে কিছু কথা বললাম)
বোঃ থাঙ্কস। তুমি এখন আসতে পার।
মিঃ থ্যাঙ্ক ইউ ভেরি মাচ স্যার। সালাম।
এতক্ষণ যা বললাম তার কোন কিছুই হয়তোবা কাজে লাগবে না। না লাগলেও সমস্যা নাই। কষে মনে মনে গালি দিবেন। কোন সমস্যা নাই!
 
ইতি, তৌহিদ মামা।
 
তৌহিদ এলাহী
৩০তম বিসিএস প্রশাসন।(২১তম)
৪৬ ব্যাচ, এমবিএ, আইবিএ(অধ্যয়নরত)